সেভ দ্য চিলড্রেন (Save the Children) একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে। ১৯১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক এগল্যান্টাইন জেব যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ বা অঞ্চলের শিশুদের নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো হলো:
- শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা: জরুরি মুহূর্ত, যেমন- দুর্যোগ, রোগ-ব্যাধি এবং সব ধরনের সহিংসতা থেকে শিশুদের রক্ষা করা। শিশু পাচার, অপব্যবহার ও শোষণ বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
- শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা: শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।
- স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি নিশ্চিত করা: শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া।
- শিশুর অধিকার রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করা এবং অভিভাবকদের এ ব্যাপারে সচেতন করা।
- দারিদ্র্য থেকে মুক্তি: চরম দারিদ্র্য, অপুষ্টি এবং সুরক্ষার ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য কার্যকর সহায়তা প্রদান করা।
বাংলাদেশে সেভ দ্য চিলড্রেনঃ
সেভ দ্য চিলড্রেন ১৯৭০ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। ভোলার ঘূর্ণিঝড়ের প্রতিক্রিয়ায় জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শিশু অধিকার সংস্থা, যা সরকার, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা, শিক্ষা লাভ করা এবং নিরাপদ থাকার সুযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করে। সেভ দ্য চিলড্রেন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
তারা দেশের ৬৪টি জেলায় ৯০টিরও বেশি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি বছর ১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে। তাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
- শিশু অধিকার সুশাসন ও শিশু সুরক্ষা
- স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও এইচআইভি/এইডস
- শিশু দারিদ্র্য
- মানবিক সহায়তা
- শিক্ষা
সেভ দ্য চিলড্রেন দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম এবং শিশুদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেয়। তারা বাংলাদেশে শিশু বিবাহ বন্ধের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সুরক্ষা পরিষেবাগুলিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন মিশন ও ভিশনঃ
সেভ দ্য চিলড্রেন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। তাদের একটি সুস্পষ্ট ভিশন (Vision) এবং মিশন (Mission) রয়েছে, যা তাদের কার্যক্রমের মূল ভিত্তি।
ভিশন (Vision)
সেভ দ্য চিলড্রেনের ভিশন হলো এমন একটি পৃথিবী গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি শিশু বেঁচে থাকার, সুরক্ষিত থাকার, বিকশিত হওয়ার এবং অংশগ্রহণ করার অধিকার অর্জন করে। তারা স্বপ্ন দেখে এমন একটি পৃথিবীর যেখানে কোনো শিশুই অবহেলিত হবে না, এবং প্রতিটি শিশু তাদের পূর্ণ সম্ভাবনাময় জীবন যাপন করতে পারবে। Save The Children job circular 2025 pdf download and apply online in Bangladesh.
মিশন (Mission):
সেভ দ্য চিলড্রেনের মিশন হলো বিশ্বের শিশুদের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা এবং তাদের জীবনে তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী পরিবর্তন সাধন করা। এই মিশনের মাধ্যমে তারা শিশুদের জন্য উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় হলো:
- জীবন রক্ষা: দুর্যোগ, সংঘাত, অপুষ্টি ও রোগ থেকে শিশুদের জীবন বাঁচানো।
- শিক্ষা নিশ্চিত করা: শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা লাভের সুযোগ করে দেওয়া এবং তাদের শিক্ষাজীবন সুরক্ষিত রাখা।
- সুরক্ষা প্রদান: শিশু পাচার, শোষণ, নির্যাতন ও সব ধরনের সহিংসতা থেকে শিশুদের রক্ষা করা।
- অধিকার প্রতিষ্ঠা: শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ: দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করা।
সেভ দ্য চিলড্রেন তাদের এই ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে সরকার, স্থানীয় সম্প্রদায়, অন্যান্য সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে কাজ করে। তাদের প্রতিটি কাজই শিশুদের কল্যাণের উপর কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। জনবল নিয়োগ দিবে সেভ দ্য চিলড্রেন কর্মস্থল ঢাকা।
সেভ দ্য চিলড্রেন সেবা সমূহঃ
সেভ দ্য চিলড্রেন বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষত বাংলাদেশে শিশুদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। তাদের সেবা কার্যক্রমগুলি সাধারণত নিম্নলিখিত প্রধান ক্ষেত্রগুলোতে বিভক্ত:
১. শিশু সুরক্ষা (Child Protection):
- সহিংসতা, শোষণ ও নির্যাতন থেকে সুরক্ষা: শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতন থেকে রক্ষা করা।
- শিশু পাচার রোধ: শিশুদের পাচার থেকে রক্ষা করতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
- শিশুশ্রম নিরসন: ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে শিশুদের উদ্ধার এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা।
- শিশু বিবাহ রোধ: বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এটি প্রতিরোধে কাজ করা।
- সংকটকালীন সুরক্ষা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সংঘাতের সময় শিশুদের জন্য নিরাপদ স্থান (Child Safe Spaces/Child Friendly Spaces) তৈরি করা এবং তাদের মানসিক সহায়তা প্রদান।
২. স্বাস্থ্য ও পুষ্টি (Health & Nutrition):
- মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য: মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর পরিচর্যা নিশ্চিত করা।
- শিশুদের পুষ্টি: অপুষ্টিজনিত সমস্যা সমাধানে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ এবং পুষ্টি বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করা।
- রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, যেমন টিকা দান কর্মসূচি এবং অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান।
- এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ: এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি।
৩. শিক্ষা (Education):
- প্রাথমিক ও মৌলিক শিক্ষা: শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের বিদ্যালয়ে ভর্তিতে সহায়তা করা।
- দুর্যোগকালীন শিক্ষা: দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে শিশুদের জন্য শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অস্থায়ী শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন।
- প্রাক-শৈশব উন্নয়ন: শিশুদের প্রারম্ভিক শিক্ষা ও বিকাশে সহায়তা করা।
- ডিজিটাল উদ্ভাবন: শিক্ষার ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
- মেয়ে শিশুদের ক্ষমতায়ন: মেয়ে শিশুদের স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত করা এবং তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করা।
৪. শিশু দারিদ্র্য হ্রাস (Child Poverty Reduction):
- আর্থিক সহায়তা: সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, যেমন বিকাশের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান।
- জীবিকা নির্বাহের সহায়তা: দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে শিশুরা দারিদ্র্যের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
- সামাজিক নিরাপত্তা: সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহায়তা করা, যা চরম দারিদ্র্য ও অপুষ্টিতে ভুগছে এমন শিশুদের সুবিধা দেয়।
৫. মানবিক সহায়তা ও জরুরি সাড়া (Humanitarian Response & Emergency):
- দুর্যোগ মোকাবিলা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা) এবং মানবসৃষ্ট সংকটে (যেমন সংঘাত) দ্রুত সাড়া দেওয়া।
- জরুরি ত্রাণ সরবরাহ: খাদ্য, আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী সরবরাহ করা।
- পুনর্বাসন: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিশুদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কাজ করা।
- রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের সহায়তা: বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের জন্য খাদ্য, আশ্রয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা পরিষেবা প্রদান। সেভ দ্য চিলড্রেন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ pdf download করুন এখানে।
সেভ দ্য চিলড্রেন চাকরির সুযোগ-সুবিধাঃ
সেভ দ্য চিলড্রেন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হওয়ায়, এখানে চাকরি করা কর্মীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. কাজের পরিবেশ ও সংস্কৃতি:
সেভ দ্য চিলড্রেন এমন একটি কর্মপরিবেশ তৈরি করে যেখানে কর্মীরা নিজেদের অবদান রাখতে উৎসাহিত হন। এর সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহযোগিতামূলক এবং বৈচিত্র্যকে মূল্য দেয়। কর্মীরা একটি মানবিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করার সুযোগ পান, যা তাদের পেশাগত জীবনে সন্তুষ্টি এনে দেয়।
২. পেশাগত উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ:
সেভ দ্য চিলড্রেন কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করে। কর্মীদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে তারা নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারেন এবং তাদের কর্মজীবনের অগ্রগতি নিশ্চিত হয়। বিশেষত, মানবিক সহায়তা, শিশু সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকে।
৩. বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা:
সেভ দ্য চিলড্রেন সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো বজায় রাখে, যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বেতনের পাশাপাশি, কর্মীদের জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত আর্থিক সুবিধাগুলো থাকে:
- স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance): কর্মী এবং তাদের নির্ভরশীলদের জন্য স্বাস্থ্য বীমার সুবিধা থাকে।
- জীবন বীমা (Life Insurance): কর্মীদের জন্য জীবন বীমার কভারেজ থাকতে পারে।
- উৎসব ভাতা (Festival Bonus): সাধারণত বছরে এক বা একাধিক উৎসব ভাতা প্রদান করা হয়।
- ছুটি সুবিধা (Leave Benefits): বার্ষিক ছুটি, অসুস্থতাজনিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ও পিতৃত্বকালীন ছুটির মতো পর্যাপ্ত ছুটি সুবিধা থাকে।
- অবসরকালীন সুবিধা (Retirement Benefits): কিছু ক্ষেত্রে কর্মীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড বা গ্র্যাচুইটির মতো অবসরকালীন সুবিধার ব্যবস্থা থাকে।
৪. কাজের ভারসাম্য (Work-Life Balance):
সংস্থাটি কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে উৎসাহিত করে। ফ্লেক্সিবল কাজের সময়, দূর থেকে কাজ করার সুযোগ (নির্দিষ্ট পদের জন্য) এবং পর্যাপ্ত ছুটির ব্যবস্থা এই ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৫. সামাজিক প্রভাব ও সন্তুষ্টি:
সেভ দ্য চিলড্রেনে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি হলো বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ। এই সামাজিক প্রভাব কর্মীদের মধ্যে এক গভীর সন্তুষ্টি ও প্রেরণা তৈরি করে। তারা সরাসরি তাদের কাজের মাধ্যমে সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন।
৬. বৈশ্বিক নেটওয়ার্কিং:
একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হওয়ায়, সেভ দ্য চিলড্রেন কর্মীদের বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সহকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের সাথে কাজ করার এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। এটি পেশাগত জ্ঞান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।
নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য
| প্রতিষ্ঠানের নাম | সেভ দ্য চিলড্রেন |
| প্রতিষ্ঠানের ধরন | বেসরকারি প্রতিষ্ঠান |
| টেলিফোন নাম্বার | +৮৮-০৯৬১২৫৫৫৩৩৩ +৮৮-০৯৬৬৬৫৫৫৩৩৩ |
| ইমেইল | info.bangladesh@savethechildren.org |
| ওয়েব | https://bangladesh.savethechildren.net/ |
| ঠিকানা | House No. CWN (A) 35, Road No. 43 Gulshan – 2, Dhaka -1212 Bangladesh |
নিয়োগকৃত পদের নাম ও সংখ্যা
| নং | পদের নাম | পদের সংখ্যা |
| ১ | সিনিয়র অফিসার | ০১ টি। |
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো
| প্রতিষ্ঠানের নাম | সেভ দ্য চিলড্রেন |
| বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ | ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| বিজ্ঞপ্তি সোর্স | বিডি জবস ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| নিয়োগের স্থান | ঢাকা |
| জবের ধরন | স্থায়ী |
| পদের ক্যটাগরি | ১ টি |
| শূন্যপদের সংখ্যা | ০১ টি |
| আবেদন শুরুর তারিখ | ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| আবেদন শেষের তারিখ | ২৯ জুলাই ২০২৫ ইং |
বয়সসীমা
আবেদনকারীর বয়স নির্ধারিত নয়।
যেভাবে আবেদন করবেন
এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিঃদ্রঃ আবেদনের সময় কোন ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আপনার আবেদন বাতিল করতে এবং আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তাই আবেদনের পূর্বে নিচে দেওয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ভাল করে পরে দেখুন এবং নিশ্চিত হয়ে নিন।
বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরীক্ষার ফলাফল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সাথে থাকতে ঘুরে আসুন আমাদের ফেচবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যনেলে
