ভিভো (Vivo) একটি চীনা বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি যা স্মার্টফোন, স্মার্ট অ্যাকসেসরিজ, সফটওয়্যার এবং অনলাইন সেবা তৈরি ও উৎপাদনের জন্য পরিচিত। বিবিকে ইলেকট্রনিক্স এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে ভিভো ২০১৭ সালের দিকে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি লাভ করে থাকে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে সেলফি ও ফ্যাশন-বান্ধব ডিজাইন এবং ক্যামেরা ফিচারের কারণে ভিভো ফোনগুলো বেশ জনপ্রিয়। ভিভো বাংলাদেশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
ভিভো বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- প্রতিষ্ঠা ও প্রসার: ভিভো ২০১৭ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে এবং দ্রুত দেশের বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নেয়।
- স্থানীয় উৎপাদন: ভিভো বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে কিছু মডেলের স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল করে থাকে, যা গ্রাহকদের জন্য ফোনের দাম কমাতে সাহায্য করেছে।
- পণ্যের বৈচিত্র্য: ভিভো বিভিন্ন দামের স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে, যাতে বিভিন্ন স্তরের গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা যায়। তাদের X, V, এবং Y সিরিজ বাংলাদেশে বেশ পরিচিত।
- বাজারের অবস্থান: আন্তর্জাতিকভাবে ভিভো শীর্ষ ৫টি স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের মধ্যে একটি। বাংলাদেশেও এটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন বিক্রেতা হিসেবে বিবেচিত।
- উদ্ভাবন: ভিভো মোবাইল শিল্পে প্রথম সেলফি ক্যামেরা, ডুয়াল পপ-আপ ক্যামেরা এবং বিশ্বে প্রথম ৬ ক্যামেরার মোবাইল ফোন বাজারে আনার জন্য পরিচিত। তারা AI (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) প্রযুক্তির ব্যবহারেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
- গ্রাহক পরিষেবা: ভিভো বাংলাদেশে অনলাইন ও অফলাইনে শক্তিশালী বিপণন চ্যানেল এবং গ্রাহক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। তাদের একটি অফিসিয়াল ই-স্টোরও রয়েছে।
- সামাজিক কার্যক্রম: প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি ভিভো বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমেও যুক্ত থাকার চেষ্টা করে। যেমন, তারা “ক্যাপচার দ্য ফিউচার” নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছে যা শিশুদের সৃজনশীলতা এবং কল্পনাশক্তি বিকাশে সহায়তা করে।
ভিভো বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং গ্রাহকদের জন্য নিত্যনতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসছে। এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ দিচ্ছে ভিভো বাংলাদেশ।
ভিভো বাংলাদেশ মিশন ও ভিশনঃ
ভিভো একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে তাদের পণ্য এবং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য অসাধারণ অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চায়। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তির সাথে ফ্যাশনের সমন্বয় করে এমন স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিস তৈরি করা যা ব্যবহারকারীদের জীবনকে আরও সহজ ও আনন্দময় করে তোলে।
ভিভো বাংলাদেশের মিশন (Mission):
ভিভো বাংলাদেশের মিশনকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়, যা তাদের বৈশ্বিক মিশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ:
- গ্রাহকদের জন্য দারুণ পণ্য তৈরি করা: ভিভো সবসময়ই নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং সেগুলোর ডিভাইসে সমন্বয় করার দিকে জোর দেয়। তাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ-মানের এবং উদ্ভাবনী স্মার্টফোন সরবরাহ করা, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে, ক্যামেরা প্রযুক্তি, ডিজাইন এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির উপর তারা গুরুত্ব দেয়।
- কর্মচারীদের জন্য একটি আনন্দময় ও প্রগতিশীল পরিবেশ তৈরি করা: ভিভো বিশ্বাস করে যে কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা কর্মীদের জন্য একটি বন্ধুত্বপূর্ণ, সম্মানজনক কাজের পরিবেশ এবং ক্যারিয়ার বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করতে চায়।
- পার্টনারদের জন্য উইন-উইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা: পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে ভিভো তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে একটি ন্যায্য এবং সমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, যাতে উভয় পক্ষই লাভবান হয়।
- শেয়ারহোল্ডারদের জন্য স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী আয় নিশ্চিত করা: কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ভালো বিনিয়োগ রিটার্ন নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। একাধিক জনকে চাকরির দিবে ভিভো বাংলাদেশে।
ভিভো বাংলাদেশের ভিশন (Vision):
ভিভো বাংলাদেশের ভিশন হলো একটি সুস্থ, টেকসই, বিশ্বমানের কর্পোরেশন হিসেবে গড়ে ওঠা। এই ভিশন অর্জনের জন্য তারা কিছু মূল মূল্যবোধ অনুসরণ করে:
- বেনফেন (Benfen): এটি একটি চীনা ধারণা যার অর্থ হলো “সঠিক কাজটি সঠিক উপায়ে করা”। ভিভো তাদের প্রতিটি কাজে সততা ও দায়িত্বশীলতার উপর জোর দেয়।
- নকশা-চালিত মূল্য (Design-driven value): তারা এমন পণ্য তৈরি করতে চায় যা কেবল কার্যকর নয়, দেখতেও সুন্দর এবং ব্যবহারকারীর কাছে আকর্ষণীয়।
- ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিকতা (User-orientation): গ্রাহকদের প্রয়োজন ও পছন্দের উপর ভিত্তি করে পণ্য ও সেবা তৈরি করা তাদের মূল উদ্দেশ্য।
- ক্রমাগত শিক্ষা (Continuous learning): দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির জগতে টিকে থাকার জন্য এবং নতুন কিছু শেখার আগ্রহ ধরে রাখার জন্য তারা ক্রমাগত শিক্ষায় বিশ্বাসী।
- দলগত মনোভাব (Team spirit): সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং দলবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট।
- উদ্ভাবন (Innovation): ভিভো প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি, যেমন ৫জি এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন করছে, যাতে ভবিষ্যতে আরও উন্নত স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা দেওয়া যায়।
ভিভো বাংলাদেশ এমন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত হতে চায় যা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ফ্যাশনেবল ডিজাইনকে একসাথে নিয়ে আসে, গ্রাহকদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলে এবং একই সাথে একটি টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যবসা পরিচালনা করে।
ভিভো বাংলাদেশ গ্রাহক সেবা সমূহঃ
ভিভো বাংলাদেশ গ্রাহকদের জন্য বিস্তৃত পরিসরের সেবা প্রদান করে থাকে, যাতে গ্রাহকরা তাদের ভিভো ডিভাইস ব্যবহারে সেরা অভিজ্ঞতা পান। এই সেবাসমূহ অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই উপলব্ধ।
1. সার্ভিস সেন্টার (Service Centers):
o ভিভোর সারাদেশে অসংখ্য কাস্টমার সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। এই সেন্টারগুলো থেকে গ্রাহকরা সরাসরি তাদের ফোনের যেকোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।
o বিক্রয়োত্তর সেবা: কেনার পর স্মার্টফোনে কোনো হার্ডওয়্যারজনিত ত্রুটি থাকলে ১৫ দিনের মধ্যে বদলানোর সুবিধা দেওয়া হয়। এছাড়া, এক বছরের জন্য বিনামূল্যে রক্ষণাবেক্ষণের সেবা, ব্যাটারি, ইয়ারফোন, চার্জার এবং ইউএসবি কেবলের জন্য ৬ মাসের ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়।
o দ্রুত মেরামত: অনেক সার্ভিস সেন্টারেই ১ ঘণ্টার মধ্যে ফ্ল্যাশ রিপেয়ার (Flash Repair) বা দ্রুত মেরামতের সুবিধা দেওয়া হয়।
o ফ্রি সার্ভিস ডে: ভিভো নিয়মিতভাবে ‘সার্ভিস ডে’ আয়োজন করে, যেখানে গ্রাহকরা বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবা যেমন – বিনামূল্যে প্রতিরক্ষামূলক ফিল্ম লাগানো, স্মার্টফোন সার্ভিসিং ও পরিষ্কার করা, সফটওয়্যার আপডেট, এবং অনেক সময় পার্টসের উপর ডিসকাউন্ট পেতে পারেন।
2. অনলাইন সাপোর্ট:
o লাইভ চ্যাট সাপোর্ট: ভিভো বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সরাসরি কাস্টমার সার্ভিস প্রতিনিধির সাথে কথা বলতে পারেন। এটি সাধারণত শনি-বৃহস্পতি, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (ছুটির দিন বাদে) উপলব্ধ থাকে।
o হটলাইন: একটি ডেডিকেটেড হটলাইন নম্বর (+8809610991079) রয়েছে যেখানে ফোন করে গ্রাহকরা যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। এটিও চ্যাট সাপোর্টের মতো একই সময়ে উপলব্ধ।
o ইমেইল সাপোর্ট: গ্রাহকরা ইমেলের মাধ্যমেও ভিভোর সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন (service.bd@vivo.com)।
o সোশ্যাল মিডিয়া: ভিভো তাদের ফেসবুক পেজের (vivo Bangladesh) মাধ্যমেও গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ রাখে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।
o হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট: হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সহায়তা পাওয়া যায়।
3. ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক সেবা:
o IMEI অথেনটিকেশন: গ্রাহকরা তাদের ফোনের IMEI নম্বর দিয়ে নিশ্চিত করতে পারেন যে ফোনটি আসল কিনা।
o পার্টসের দাম যাচাই (Query of Spare Parts Price): ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট মডেলের যন্ত্রাংশের আনুমানিক দাম জেনে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
o রিপেয়ার প্রগ্রেস ট্র্যাকিং (Query of Repair Progress): মেরামত বা সার্ভিসিং-এর জন্য জমা দেওয়া ফোনের বর্তমান অবস্থা অনলাইনে ট্র্যাক করা যায়।
o অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভিস (Appointment Service): সার্ভিস সেন্টারে যাওয়ার আগে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার সুবিধা রয়েছে, যা সময় বাঁচায়।
o ওয়ারেন্টি পলিসি ও FAQs: ভিভোর ওয়েবসাইটে ওয়ারেন্টি নীতি, রিটার্ন নীতি এবং প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs) বিস্তারিতভাবে দেওয়া থাকে, যা গ্রাহকদের সাধারণ সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে।
o সিস্টেম আপডেট: ফানটাচ ওএস (Funtouch OS) এবং অন্যান্য সফটওয়্যার আপডেটের তথ্য ভিভোর সাপোর্ট সেকশনে পাওয়া যায়।
4. ফ্ল্যাগশিপ স্টোর:
o ভিভো বাংলাদেশে বেশ কিছু ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু করেছে, যা কেবল পণ্য বিক্রির কেন্দ্র নয়, বরং গ্রাহকদের জন্য একটি প্রযুক্তি এক্সপেরিয়েন্স এবং শেখার হাব হিসেবে কাজ করে।
o এই স্টোরগুলোতে আধুনিক সার্ভিস সেন্টার থাকে যেখানে আন্তর্জাতিক মানের সেবা পাওয়া যায়।
ভিভো সবসময় গ্রাহক সেবাকে গুরুত্ব দেয় এবং গ্রাহকদের জন্য সহজলভ্য ও বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করতে চায়। তাদের লক্ষ্য হলো বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তৈরি করা। Vivo Bangladesh job circular 2025 pdf download and apply online in Bangladesh.
ভিভো বাংলাদেশ চকরির সুযোগ-সুবিধাঃ
ভিভো বাংলাদেশ কর্মীদের জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে, যা তাদের বৈশ্বিক নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তারা একটি উদ্ভাবনী, গতিশীল এবং সহায়ক কাজের পরিবেশ তৈরিতে বিশ্বাসী।
ভিভো বাংলাদেশের চাকরির সুযোগ-সুবিধা:
ভিভো কর্মীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন এবং ভাতা সুবিধার পাশাপাশি ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের সুযোগও প্রদান করে। এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য সুবিধা তুলে ধরা হলো:
- প্রতিযোগিতামূলক বেতন: ভিভো প্রতি বছর বেতন ও সুবিধা নিয়ে বাজার গবেষণা করে, যাতে কর্মীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা যায়। সাধারণত বিভিন্ন পদের জন্য মাসিক বেতন ১৫ হাজার থেকে ৬০০০০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে, যা পদ, অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করে।
- বোনাস ও ইনসেন্টিভ:
o উৎসব ভাতা: সাধারণত বছরে দুটি উৎসব ভাতা (যেমন ঈদ বোনাস) প্রদান করা হয়।
o পারফরম্যান্স-ভিত্তিক বোনাস: কর্মীদের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে বোনাস স্কিম থাকে। বিশেষ করে优秀 কর্মীদের জন্য “নো-ক্যাপ” বোনাস সিস্টেমও থাকতে পারে, অর্থাৎ উচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য বোনাসের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নাও থাকতে পারে।
o উপস্থিতি বোনাস (Attendance Bonus): কিছু পদের জন্য উপস্থিতি বোনাস দেওয়া হয়, যা কর্মীদের নিয়মিততা এবং প্রতিশ্রুতির জন্য একটি স্বীকৃতি।
- কর্মচারী কল্যাণ ও অন্যান্য ভাতা:
o প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং গ্র্যাচুইটি সুবিধা প্রদান করা হয়, যা কর্মীদের ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষায় সাহায্য করে।
o চিকিৎসা সেবা: কর্মীদের জন্য চিকিৎসা সেবার সুবিধা থাকে।
o আবাসন সুবিধা: কিছু ক্ষেত্রে বা নির্দিষ্ট পদের জন্য আবাসন সুবিধা অথবা আবাসন ভর্তুকি (Housing Subsidy) দেওয়া হতে পারে।
o যাতায়াত ভাতা (Travel Allowance) ও মোবাইল বিল: পদভেদে যাতায়াত ভাতা এবং মোবাইল বিল দেওয়া হয়।
o দুপুরের খাবার সুবিধা (Meal Allowance): কিছু পদের জন্য দুপুরের খাবার সুবিধা বা ভাতা দেওয়া হতে পারে।
o স্বাস্থ্য পরীক্ষা: কর্মীদের জন্য বিনামূল্যে শারীরিক পরীক্ষা (Free Physical Check) করার সুযোগ থাকতে পারে।
o বার্থডে ও ছুটির উপহার (Birthday & Holiday Gifts): কর্মীদের জন্মদিন ও বিভিন্ন উৎসবে উপহার প্রদানের সংস্কৃতি থাকতে পারে।
- ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও প্রশিক্ষণ:
o ভিভো কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়। কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্স এবং পর্যাপ্ত সুযোগ প্রদান করা হয়।
o ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য সুনির্দিষ্ট পথ (Career Development Path) এবং উচ্চতর পদে পদোন্নতির সুযোগ থাকে।
o নতুন কর্মীদের জন্য অরিয়েন্টেশন এবং যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সহজ করার ব্যবস্থা থাকে।
o প্রতি বছর বেতন পর্যালোচনা (Salary Review) করা হয়, যা কর্মীদের পারফরম্যান্স এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে।
- কাজের পরিবেশ ও সংস্কৃতি:
o ভিভো একটি সহায়ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কাজের পরিবেশ প্রদান করার চেষ্টা করে।
o তারা কর্মক্ষেত্রে স্তরবিন্যাস (Hierarchy) থেকে কর্মের উপর বেশি জোর দেয়। কর্মীদের স্বাধীনতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের সুযোগ দেওয়া হয়।
o টিম বিল্ডিং ফান্ড এবং বিভিন্ন বিনোদন ও খেলাধুলার কার্যক্রমের (Recreational and Sports Activities) আয়োজন করা হয়, যা কর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে সাহায্য করে।
o আধুনিক অফিস পরিবেশ এবং কর্মীদের জন্য ক্যাফে, ব্যাস্কেটবল কোর্ট, জিম, টেবিল টেনিস রুম ইত্যাদির মতো সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারে। Vivo Bangladesh jobs 2025 published in Bdjobs.
নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য
| প্রতিষ্ঠানের নাম | ভিভো বাংলাদেশ |
| প্রতিষ্ঠানের ধরন | বেসরকারি প্রতিষ্ঠান |
| টেলিফোন নাম্বার | +8809610991079 |
| ইমেইল | service.bd@vivo.com |
| ওয়েব | https://www.vivo.com/bd |
| ঠিকানা | 9th & 10th Floor, Tower-A, 144 – Police Plaza Concord, Gulshan 1, Dhaka-1212, Bangladesh. |
নিয়োগকৃত পদের নাম ও সংখ্যা
| নং | পদের নাম | পদের সংখ্যা |
| ১ | এক্সিকিউটিভ | নির্ধারিত নয়। |
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো
| প্রতিষ্ঠানের নাম | ভিভো বাংলাদেশ |
| বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ | ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| বিজ্ঞপ্তি সোর্স | বিডি জবস ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| নিয়োগের স্থান | ঢাকা |
| জবের ধরন | স্থায়ী |
| পদের ক্যটাগরি | ১ টি |
| শূন্যপদের সংখ্যা | অনির্ধারিত |
| আবেদন শুরুর তারিখ | ২১ জুলাই ২০২৫ ইং |
| আবেদন শেষের তারিখ | ২০ আগষ্ট ২০২৫ ইং |
বয়সসীমা
আবেদনকারীর বয়স নির্ধারিত নয়।
যেভাবে আবেদন করবেন
এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিঃদ্রঃ আবেদনের সময় কোন ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আপনার আবেদন বাতিল করতে এবং আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তাই আবেদনের পূর্বে নিচে দেওয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ভাল করে পরে দেখুন এবং নিশ্চিত হয়ে নিন।
বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরীক্ষার ফলাফল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সাথে থাকতে ঘুরে আসুন আমাদের ফেচবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যনেলে
